About Us
পরিচিতি
দুরন্ত ১৩১৫ এক অনন্য যাত্রার নাম, যা বন্ধুত্বের শক্তি ও মানবিক মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। ২০১৩ ও ২০১৫ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ২০১৯ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর এটি ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে।
“প্রাণের প্রেমান্ধতায় হলাম জড়ো, বন্ধুত্বের প্রণয়ে সিক্ত দুরন্ত তেরো পনেরো”— স্লোগানটি এই প্লাটফর্মের উদ্দেশ্য ও দর্শনকে চিত্রায়িত করে। এটি শুধুমাত্র একটি স্লোগান নয়, এটি একটি অনুভূতি, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করে। এখানে বন্ধুত্ব শুধুমাত্র একটি শব্দ নয়, বরং একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক, যেখানে সদস্যরা একে অপরের প্রেরণা, সহযোগিতা এবং সমর্থনের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তুলছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা একে অপরের চাহিদা ও স্বপ্নকে গুরুত্ব দেয়।
দুরন্ত ১৩-১৫ এর প্রতিটি সদস্যই একটি গল্প, একটি স্বপ্ন, এবং একসাথে পথ চলার একটি প্রয়াস। যেখানে বন্ধুত্বের অম্লান আলোয় নতুন সম্ভাবনা খুঁজে পাওয়া যায়, যেখানে প্রতিটি সদস্যের গল্প, অনুভূতি ও স্বপ্ন একত্রিত হয়। এই প্ল্যাটফর্মটি তাদের সদস্যদের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম, সহায়তা এবং প্রেরণামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে একটি পরিবার হিসেবে কাজ করে এবং নিজেদের আত্মপ্রকাশের সুযোগ তৈরি করে। এটি একপ্রকার অরাজনৈতিক মঞ্চ, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের চিন্তাভাবনা, স্বপ্ন এবং আগ্রহগুলো শেয়ার করতে পারে।
এভাবে, দুরন্ত ১৩-১৫ শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি একটি পরিবার, একটি অনুভূতি—যেখানে বন্ধুত্বের আলোকে সকলের স্বপ্নকে সাফল্যের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়; যা সময়ের পরিক্রমায় তাদের জীবনকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছে। দুরন্ত ১৩-১৫ সবাইকে স্বাগত জানায়, যেখানে প্রত্যেকে তাদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে, নতুন বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং একসাথে নিজেদের জীবনকে একটি নতুন অধ্যায়ে নিয়ে যায়।
দুরন্ত ১৩-১৫ এর নীতি ও আদর্শ
বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা:
আমাদের মূল উদ্দেশ্য হল বন্ধুত্ব গড়ে তোলা ও একে অপরের সহায়তা করা। আমরা বিশ্বাস করি, বন্ধুত্বের শক্তি আমাদেরকে প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাহায্য করে।
মানবিক মূল্যবোধ:
মানবতার প্রতি শ্রদ্ধা ও সমবেদনা আমাদের কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু। আমরা সব সময় অসহায় ও গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।
সামাজিক দায়বদ্ধতা:
আমাদের সংগঠন সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখে। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
শিক্ষা ও সচেতনতা:
আমরা শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিই এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে শিক্ষা প্রসারের চেষ্টা করি। সচেতনতা বাড়ানো আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।
স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা:
আমাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকল সদস্যের জন্য আয় ও খরচের তথ্য প্রকাশ্য রাখা হয়, যাতে সকলেই দায়িত্বশীল থাকে।
প্রাকৃতিক পরিবেশের সংরক্ষণ:
আমরা পরিবেশের সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সচেতনতার জন্য কাজ করি।
মানবিক সহানুভূতি:
আমরা সকলের প্রতি মানবিক সহানুভূতি ও সহানুভূতির মনোভাব রাখি, যাতে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় থাকে।
সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব:
আমাদের সংগঠন সকলের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানায়।
উন্নয়নমূলক প্রকল্পসমূহে অংশগ্রহণ:
আমরা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অংশগ্রহণ করি, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে সহায়তা করে।
সকলের জন্য সমান সুযোগ:
আমরা সকল মানুষের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে কাজ করি এবং বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিতদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করি।
দুরন্ত ১৩-১৫ এর নীতি ও আদর্শ আমাদের কার্যক্রমের ভিত্তি তৈরি করে। এই নীতিগুলোকে মাথায় রেখে আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণে এগিয়ে যাচ্ছি এবং সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
আমাদের লক্ষ্য
২০১৩ সালের মাধ্যমিক ও ২০১৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক ব্যাচের বন্ধুদের নিয়ে আমরা একটি দেশব্যাপী বন্ধনের যাত্রা শুরু করেছি। আমাদের লক্ষ্য হলো বন্ধুত্বের আবেগ ও স্মৃতিকে জীবন্ত করে তোলা এবং একটি সতেজ সার্কেল নির্মাণ করা। এখানে আমরা কেবল সম্পর্ক গড়ি না, বরং একে অপরের জীবনের গল্পগুলোকে একত্রিত করে একটি হৃদয়গ্রাহী Tapestry সৃষ্টি করি—যেখানে প্রতিটি সদস্যের উপস্থিতি, অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা মিলেমিশে একটি অসাধারণ ঐক্য গড়ে তোলে। এই উদ্যোগে আমরা বন্ধুত্বের গুণগত মান বৃদ্ধি করে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করি, যেন প্রতিটি মুহূর্তে একে অপরের জন্য উৎসাহ, সমর্থন ও ভালোবাসার স্রোত বয়ে যায়। আমরা একটি শক্তিশালী কমিউনিটি নির্মাণ করে সবাই একে অপরের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে চাই।
আমাদের উদ্দেশ্য
আমরা সকল ব্যাচমেট বন্ধুদের নিয়ে একটি শক্তিশালী ও সহায়ক সম্প্রদায় গড়ে তুলতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, যেখানে একে অপরের অবকাঠামোগত উন্নয়নকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। বিপদের সময় পাশে দাঁড়িয়ে, অসহায় ও দরিদ্র ব্যক্তিদের সাবলম্বী করার লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানো হবে আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
আমরা একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, সুখী ও সমৃদ্ধ সমাজের স্বপ্ন দেখি, যেখানে সবাই একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে চলব। দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে, আমরা একটি নতুন পরিবর্তনের সূচনা করব—একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হয়ে। আমাদের এই যাত্রা হবে একসাথে উদযাপন, সহমর্মিতা এবং মানবতার প্রতি দায়বদ্ধতার মাধ্যমে, যেখানে প্রত্যেকটি পদক্ষেপ একটি নতুন সম্ভাবনার জন্ম দেবে। এভাবে, আমরা একসাথে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি, যেখানে প্রতিটি সদস্যের মূল্যায়ন হবে, এবং সমাজের উন্নয়ন হবে আমাদের সবার প্রচেষ্টার ফল।
আমাদের কার্যক্রম
১। মিলনমেলা/ Get Together/ পিকনিক/ পিঠা উৎসব/ নৌকা ভ্রমন/ খেলাধূলা/ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে নিজেদের মাঝে সু-সম্পর্ক গড়ে তোলা।
২। যেকোন মুমূর্ষ রোগীর জন্য জরুরী মুহূর্তে ব্লাড ম্যানেজ করে দেয়া।
৩। প্রতি বছর শীতের সময়ে গরীব/ অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা।
৪। পথশিশু/ দুস্থদের আর্থিকভাবে সহায়তা করা/ লেখাপড়ার ব্যয়ভার বহন করা।
৫। দুরন্ত ১৩-১৫ পরিবারের কেউ মারাত্বক রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা ব্যয়ভার বহন করতে অপরাগ হলে তাদেরকে আর্থিকভাবে সহায়তা করা।
৬। মহামরি/ জলোচ্ছ্বাস/ ভূমিকম্প/ ঘূর্ণিঝড়কালীন সময়ে ভুক্তভোগীদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা।
৭। পবিত্র রমজান মাসে কুরআনুল কারিম খতমের পাশাপাশি গরীব/ দুস্থ/অসহায়দের মাঝে ইফতার/ ঈদ সামগ্রী বিতরণ।
৮। দুরন্ত ১৩১৫ পরিবারের কোন সদস্যের আপনজন মৃত্যুবরণ করলে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনায় কুরআনুল কারিম খতমের পাশাপাশি দোয়ার আয়োজন করা।
৯। মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফনে অপরাগ হলে দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করে দেয়া।
১০। বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালনসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ।
আয়ের খাত সমূহ
সদস্য, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এককালীন ও নিয়মিত অনুদান:
- এককালীন অনুদান: বিশেষ উপলক্ষে বা নির্দিষ্ট প্রকল্পের জন্য দেওয়া অর্থ। এটি সদস্য বা শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রদত্ত।
- নিয়মিত অনুদান: মাসিক, ত্রৈমাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে প্রদত্ত অর্থ। সদস্যদের এটি একটি নিয়মিত দায়িত্ব হিসেবে নেওয়ার সুযোগ থাকে, যা সংগঠনের আর্থিক স্থায়িত্বে সহায়ক।
যে কোন প্রকল্প থেকে অর্জিত আয়:
- বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প (যেমন: স্বাস্থ্য ক্যাম্প, শিক্ষা প্রকল্প, খাদ্য বিতরণ) থেকে আয়। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে সংগঠন সদস্যদের ও সমাজের জন্য সেবা প্রদান করে এবং সেই সেবার মাধ্যমে আয় অর্জন করে।
বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনার জন্য অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ খরচ কর্তন:
- প্রকল্প পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক খরচ যেমন: অফিস খরচ, কর্মীদের বেতন, যাতায়াত খরচ ইত্যাদি। এসব খরচের একটি অংশ সংগঠন আয় হিসেবে রাখতে পারে।
সচ্ছল মুসলিমদের প্রদেয় যাকাত ও ফিতরা:
- সচ্ছল মুসলিমরা নিজেদের সম্পদ থেকে যাকাত ও ফিতরা প্রদানের মাধ্যমে সমাজের দরিদ্র মানুষের সাহায্য করে। এই অর্থ সংগঠনের মাধ্যমে অসহায়দের সাহায্যে ব্যবহার করা হয়।
বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের উদ্বৃত্ত অর্থ:
- সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান যেমন: পিকনিক, মিলনমেলা, সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদির মাধ্যমে আয় হওয়া অর্থ। অনুষ্ঠান শেষে উদ্বৃত্ত অর্থ সামাজিক কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়।
সরকারি বা বেসরকারি উৎস থেকে প্রাপ্ত অনুদান ও অর্থসহায়তা:
- সরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা বা বেসরকারি ফাউন্ডেশন থেকে প্রাপ্ত অনুদান ও অর্থ সহায়তা। এসব অর্থ বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয় এবং সমাজ উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়।
নিজস্ব তৈরিকৃত বিভিন্ন পণ্য বিক্রয়লদ্ধ অর্থের লভ্যাংশ:
- সংগঠন কর্তৃক তৈরি পণ্য যেমন: হ্যান্ডমেড জিনিসপত্র, বস্ত্র, খাবার ইত্যাদির বিক্রি থেকে আয়। সদস্যরা নিজেদের দক্ষতা ও প্রতিভা দিয়ে এই পণ্য তৈরি করে এবং বিক্রি করে আয় করেন।
সোশ্যাল মিডিয়া প্রচার:
- বিভিন্ন সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন ও প্রচারের মাধ্যমে আয়। এতে পণ্য, পরিষেবা বা অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্থ উপার্জন করা যেতে পারে।
ফান্ডরাইজিং ইভেন্ট:
- বিশেষ ফান্ডরাইজিং ইভেন্ট আয়োজন, যেমন: দাতব্য ডিনার, কনসার্ট, বা স্পোর্টস টুর্নামেন্ট। এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পাশাপাশি সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব।
কোম্পানি স্পন্সরশিপ:
- বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে স্পন্সরশিপ গ্রহণ। তারা তাদের পণ্য বা সেবার প্রচারের জন্য সংগঠনের কার্যক্রমে অর্থ প্রদান করতে পারে।
স্বেচ্ছাসেবী কাজের ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহ:
- সদস্যদের মাধ্যমে সমাজসেবা কাজের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা। উদাহরণস্বরূপ, সদস্যরা তাদের কাজে বা ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা করতে পারে।
ব্লগিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন:
- সংগঠনের কার্যক্রম ও প্রকল্পগুলোর উপর ব্লগ বা ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে তাদের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন ও সহযোগিতা থেকে আয় করা।
ভ্রমণ প্যাকেজ বিক্রি:
- সংগঠনের সদস্যদের জন্য বিশেষ ভ্রমণ প্যাকেজ তৈরি করা, যেখানে সদস্যরা নির্দিষ্ট জায়গায় ভ্রমণের জন্য একটি ফি প্রদান করবেন।
ব্যয়ের খাত সমূহ
দূর্ঘটনায় আহত হলে আর্থিক সহায়তা প্রদান:
সংগঠনের সদস্য বা তার পরিবারের সদস্য যদি দূর্ঘটনায় পতিত হন, তাহলে চিকিৎসা ও আনুসঙ্গিক ব্যয় বাবদ সর্বনিম্ন [নির্ধারিত টাকা] থেকে সর্বোচ্চ [নির্ধারিত টাকা] পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। দূর্ঘটনার প্রকারভেদ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী অনুদান কম বা বেশি হতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও সংশ্লিষ্ট জেলার অ্যাডমিন/মডারেটরদের সুপারিশ অনুসরণ করা হবে।
দুরারোগ্য ব্যাধি চিকিৎসা:
সংগঠনের সদস্য বা তার পরিবারের সদস্য যদি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন, তাহলে চিকিৎসার ধরণ ও ফান্ডের অবস্থান বিবেচনা করে সর্বনিম্ন [নির্ধারিত টাকা] থেকে সর্বোচ্চ [নির্ধারিত টাকা] পর্যন্ত আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে। রোগের প্রকারভেদ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী অনুদান কম বা বেশি হতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও সংশ্লিষ্ট জেলার অ্যাডমিন/মডারেটরদের সুপারিশ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হবে।
অসহায় ও গরীবদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান:
প্রতি বছর দেশে অসহায় ও গরীব মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এই কার্যক্রমের আওতায় কম্বল, সোয়েটার, শাল ইত্যাদি বিতরণ করা হয়।
অসহায় ও গরীবদের মাঝে ইফতার/ঈদ সামগ্রী প্রদান:
প্রতি রমজানে অসহায় ও গরীব মানুষদের জন্য ইফতার সামগ্রী ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে খাদ্যপণ্য ও নতুন পোশাক অন্তর্ভুক্ত থাকে।
পথ শিশু/মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার/শিক্ষা সামগ্রী/বৃত্তি প্রদান:
প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে পথ শিশু ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার, শিক্ষা সামগ্রী ও বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগ তৈরি হয়।
মহামারি/দুর্যোগকালীন/সংকটপূর্ণ সময়ে ত্রাণ সামগ্রী প্রদান:
মহামারি বা দুর্যোগকালীন সময়ে ভুক্তভোগীদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে খাবার, চিকিৎসা সামগ্রী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস অন্তর্ভুক্ত থাকে।
বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি:
বছরে একটি নির্দিষ্ট সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। এই কার্যক্রম পরিবেশ রক্ষা এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে।
বিশেষ অনুদান:
পরিচালনা কমিটির সভার গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক মানবিক দিক বিবেচনায় বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে অনুদান প্রদান করা হয়। এতে বিশেষ পরিস্থিতির সম্মুখীন ব্যক্তিদের সাহায্য করা হয়।
স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প:
অসহায় জনগণের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজন করা, যেখানে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ প্রদান করা হবে।
সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম:
শিশুদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম আয়োজন করা, যেমন: প্রতিযোগিতা, নাটক, নৃত্য ইত্যাদি।
অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র:
দুর্যোগকালীন সময়ে অসহায়দের জন্য অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র তৈরি করা, যেখানে খাবার ও স্বাস্থ্য সেবার ব্যবস্থা থাকবে।
শিক্ষা প্রকল্প:
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করতে বিশেষ শিক্ষা প্রকল্প চালু করা, যাতে তারা মৌলিক শিক্ষায় যোগ্যতা অর্জন করতে পারে।

